আমাদের কোর্স সমূহ
আধুনিক বিশ্বে সেরা শিক্ষক দিয়ে আমাদের পাঠক্রম প্রচলিত হয়।
আমাদের এখানে ইলেকট্রিক্যাল,সিভিল,কম্পিউটার সায়েন্স , আধুনিক ল্যাব
কম্পিউটার সায়েন্স & টেকনোলজি
কম্পিউটারের শুরু থেকেই ছাত্রছাত্রীদের কাছে বিষয়টি খুব জনপ্রিয়। কম্পিউটার সায়েন্স পড়াশোনার অন্যতম অংশ জুড়ে থাকে ‘প্রোগ্রামিং’। এটি একটি ইঞ্জিনীয়ারিং কোর্স যেখানে কম্পিউটার সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যারের মেলবন্ধন সংক্রান্ত সমস্ত মূল বিষয়গুলি শেখানো হয়।
ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি
ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং হল ইঞ্জিনিয়ারিং এর এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে সাধারণত ইলেক্ট্রিসিটি, ইলেক্ট্রনিক্স ও ইলেক্ট্রম্যাগনেটিজমের বিদ্যা এবং প্রয়োগ নিয়ে দক্ষতা অর্জন করা হয়। একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি এবং কন্টোল সিস্টেমের রক্ষণাবেক্ষণ করেন।
সিভিল টেকনোলজি
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং হল ইঞ্জিনিয়ারিং পেশার প্রাচীনতম শাখা, এর ক্ষেত্র হল কিছু জিনিসের নকশা এবং নির্মান করা, সেগুলি হতে পারে রাস্তাঘাট, বিমানবন্দর, সেতু, পানি সরবরাহ এবং নিস্কাশন ব্যবস্থা, বাধ, পোতাশ্রয়, রেলপথ, ফেরিঘাট, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা, ভবন এমনকি হতে পারে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট।
ননটেক
এটি একটি শাখা যেখানে সকল টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের ননটেক এর বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান দেয়া হয়। এখানে বাংলা, ইংরেজি, অংক, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, সামাজিক বিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, পরিবেশগত বিষয়গুলো শিক্ষা দেওয়া হয়।
আমাদের সম্পর্কে
ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি
ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং হল ইঞ্জিনিয়ারিং এর এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে সাধারণত ইলেক্ট্রিসিটি, ইলেক্ট্রনিক্স ও ইলেক্ট্রম্যাগনেটিজমের বিদ্যা এবং প্রয়োগ নিয়ে দক্ষতা অর্জন করা হয়। একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি এবং কন্ট্রোল সিস্টেমের নকশা, উন্নয়ন এবং রক্ষণাবেক্ষণ করেন। তারা শুধুমাত্র মানের উপরেই ফোকাস করেন না, পণ্য এবং সিস্টেম টেকসই কিনা তাও নিশ্চিত করেন। একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার অফিস, ল্যাবস, এমনকি শিল্পকারখানাগুলোতে বৈদ্যুতিক পাওয়ার সিস্টেম থেকে শুরু করে সিগন্যাল প্রসেসিং, কম্যুনিকেশন সিস্টেমে কাজ করতে পারেন।প্রকৃতপক্ষে একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার একজন মাল্টিটাস্কার – ক্রমাগত ডিটেইল মডেল তৈরি করা, তাদের বাস্তবায়ন, পরীক্ষা করা এবং এমনকি সবকিছু ঠিকঠাক চলছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হয় তাদের। সুতরাং যদি আপনার টেকনিক্যাল বিশদের ক্ষেত্রে আগ্রহ থাকে এবং কাজ করতে আপনি পছন্দ করেন তবে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য আপনি উপযুক্ত।
কম্পিউটার সায়েন্স & টেকনোলজি
আধুনিক যুগ হলো তথ্যপ্রযুক্তির যুগ আর এই তথ্যপ্রযুক্তির হাতের হচ্ছে কম্পিউটার
কম্পিউটার টেকনোলজি হচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং এর সেই শাখা যেখানে কম্পিউটারের সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যারের গবেষণা বিকাশ নিয়ে কাজ করে। ৪র্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগ একদিকে যেমন আমাদের জন্য আর্শিবাদ অন্যদিকে আমাদের জন্য হুমকি স্বরূপ। কেননা এই যুগেই মানুষ যন্ত্রের উপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়বে। আধুনিক এই যন্ত্রটির ব্যবহারে যাদের দক্ষতা থাকবে তারাই শিল্পবিপ্লবের এই যুগে টিকে থাকতে পারবে। তাই শিল্প বিপ্লবের এই যুগে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বা কম্পিউটার টেকনোলজির বিকল্প অন্য কিছু হতে পারে না।
সিভিল টেকনোলজি
ডিপ্লোমা ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং হল একটি ডিপ্লোমা লেভেলের কোর্স। সিভিল ইঞ্জিনিয়াররা আমাদের আধুনিক সমাজের জন্য সড়ক, সেতু, খাবার পানির যোগান, এনার্জি সিস্টেম, সমুদ্র বন্দর, বিমানবন্দর এবং সার্বিকভাবে উন্নত অবকাঠামোর জন্য নকশা, নির্মাণ, এবং রক্ষণাবেক্ষণের কাজগুলো করেন। এছাড়া সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং আরেকটি শাখা পরিবহন প্রকৌশলে সড়ক, রেলপথ, সাবওয়ে সিস্টেম, এবং বিমানবন্দর ডিজাইন ও তৈরি নিয়ে কাজ করে। এভাবে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই আছে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর অবদান।
” নিজস্ব ক্যাম্পাসে সিরাজগঞ্জ জেলার একমাত্র
বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট “
ধানবান্ধি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের শিক্ষকমণ্ডলী সিরাজগঞ্জ পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের নিজ নিজ বিভাগের ১ম স্থান অধিকার করেছে । শিক্ষকমণ্ডলী অনেক আন্তরিক । আমি ধানবান্ধি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের নিকট কৃতজ্ঞ ।
মোঃ আমিরুল ইসলাম
৭ম ব্যাচ, সেশনঃ- ২০১৮-২০১৯
সাধারণ জিজ্ঞাসা
নিজস্ব ক্যাম্পাসে সিরাজগঞ্জ জেলার একমাত্র বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
ধানবান্দি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সিরাজগঞ্জ জেলার একটি স্বনামধন্য বেসরকারি প্রাইভেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এখানে দক্ষ শিক্ষক শিক্ষিকা দিয়ে যত্ন সহকারে পাঠদান করা হয়। সিরাজগঞ্জ জেলার প্রথম সারির একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।এখানে তিনটি বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কার্যক্রম চালু রয়েছে ইলেকট্রিক্যাল, সিভিল ও কম্পিউটার টেকনোলজি।
কেন ভর্তি হব ??
- নিজস্ব ক্যাম্পাস
- অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী
- আধুনিক ল্যাব
- সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে ব্যবহারিক ক্লাস নেওয়া হয়
শিক্ষক সংখ্যা কত??
- বিশ জন শিক্ষক/ শিক্ষিকা
- পাঁচজন ল্যাব এসিস্ট্যান্ট
- পাঁচজন কর্মচারী
কোন কোন ডিপার্টমেন্ট পড়ানো হয়??
- সিভিল টেকনোলজি
- ইলেক্ট্রিক্যাল টেকনোলজি
- কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজি
প্রাকটিক্যাল ব্যবহারিক কেমন শেখানো হয়??
- সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে ব্যবহারিক ক্লাস নেওয়া হয়
- সিভিল টেকনোলজির ছাত্র ছাত্রীদের নিজস্ব কনস্ট্রাকশন ফার্ম এ কাজ শেখানো হয়।
- কম্পিউটার টেকনোলজি ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ওয়েব ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট শেখানো হয়।
কি কি সুবিধা আছে??
- নিজস্ব ক্যাম্পাস
- আধুনিক ল্যাব
- অভিজ্ঞ শিক্ষক
নিজস্ব ক্যাম্পাস আছে কি??
- আমাদের রয়েছে তিন হাজার স্কয়ার ফিট বিশিষ্ট দুইটি পাঁচ তলা ভবন ।
- এখানে রয়েছে সর্বাধুনিক ক্লাসরুম ।
- সর্বাধুনিক ল্যাব।
ফ্রি কোর্স
ধানবান্দি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে কম্পিউটার টেকনোলজির জন্য বিশেষ ফ্রি কোর্সের ব্যবস্থা রয়েছে । এই কোর্সে আপনাদের কে শেখানো হবে ওয়েব ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট ও প্রোগ্রামিং। ওয়েব ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট এর শেখানো হবে এইচটিএমএল সিএসএস জাভা স্ক্রিপ্ট এবং প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শেখানো হবে পাইথন প্রোগ্রামিং ও পিএইচপি প্রোগ্রামিং। কোর্সের মেয়াদ এক বছর এবং সম্পূর্ণ ফ্রি শেখানো হবে।
যোগাযোগের ঠিকানা
ধানবান্ধি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট
জেএসসি রোড , ধানবান্ধি, সিরাজগঞ্জ ।